মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১১ জুলাই ২০১৭

উন্নয়নের মহাসড়কে

সরকার বিগত বছরে সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা, শিক্ষার হার ও মান উন্নয়ন,
শিশু ও নারীসহ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, সড়ক, রেল, নৌ-যোগাযোগ ও গ্রামীণ
অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষির বিকাশ, ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই রূপকল্পে দেয়া
লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী সাফল্য অর্জন করেছে। প্রধান প্রধান অর্জনগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

 

মন্ত্রিপরিষদ 

 আটটি জেলা সমন্বয়ে রংপুর বিভাগ গঠন। চারটি উপজেলা সৃষ্টি।
 “স্বাধীনতা পুরস্কার” এর অর্থের পরিমাণ ১ লক্ষ টাকা থেকে ২ লক্ষ টাকায় উন্নীত।
 “একুশে পদক” এর অর্থের পরিমাণ ৪০ হাজার টাকা থেকে ১ লক্ষ টাকায় উন্নীত।
 “বেগম রোকেয়া পদক” এর অর্থের পরিমাণ ৩০ হাজার টাকা থেকে ১ লক্ষ টাকায় উন্নীত।

 

জাতীয় সংসদ


 নবম জাতীয় সংসদে ২৩৪টি আইন পাশ।
 মন্ত্রণালয়ভিত্তিক কর্মকা-ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নবম সংসদের শুরুতেই ৫১টি
সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন। কমিটির সভাপতি হিসেবে সরকারী দলের পাশাপাশি বিরোধী দল এবং
মহাজোটের শরিক দলগুলো থেকে ৫ জন সংসদ সদস্যকে দায়িত্ব প্রদান।
 জনগণের সংসদীয় কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করার লক্ষ্যে “সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন” চালু। মিডিয়া
সেন্টার চালুর মাধ্যমে প্রাইভেট চ্যানেলগুলোর সংসদ কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের সুযোগ সৃষ্টি।
সুপ্রীম কোর্ট

 ৫০ জন নতুন বিচারপতি নিয়োগ।
 সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে বিচারক নিয়োগ। বিচারাধীন মামলার সংখ্যা
হ্রাস।
 সুপ্রীম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলার ধার্য তারিখ, সংক্ষিপ্ত আকারে মামলার ফলাফল ও অন্যান্য
তথ্য প্রদর্শন ও অনুসন্ধানের ব্যবস্থা।

 

নির্বাচন কমিশন


 সার্চ কমিটি গঠন এবং সার্চ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠন।
 ৩১ আগস্ট ২০১৩ পর্যন্ত জাতীয় সংসদের ১৭টি উপ-নির্বাচন, ৯টি সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা
পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের মোট ৫ হাজার ৭৪৫টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত। সর্বমোট ৬৩
হাজার ৯৬৩ জন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত।
 প্রতিটি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন। সরকার কোনো রকম হস্তক্ষেপ করেনি। দেশবিদেশে
প্রশংসা অর্জন।
 দেশে বর্তমানে মোট ভোটার ৯ কোটি ২১ লাখ ২৯ হাজার ৮৫২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪
কোটি ৬২ লাখ ১ হাজার ৮৭১ জন এবং নারী ভোটার ৪ কোটি ৫৯ লাখ ২৭ হাজার ৯৮১ জন।
 স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে নারীর আসন সংরক্ষণ। বিভিন্ন পর্যায়ে ১৪ হাজারের অধিক নারী
নির্বাচিত। নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণ।

আদালত

 মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য দুটি
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন। যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে রায় প্রদান অব্যাহত।
 পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহের অভিযোগে ৫৭টি ইউনিটের সর্বমোট ১৮ হাজার ৫২০
জনের বিচারকাজ সম্পন্ন। এর মধ্যে ৫ হাজার ৯২৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- প্রদান। বিভিন্ন
ফৌজদারী অপরাধের জন্য ৮৫০ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিচারকাজ অব্যাহত।
 সহকারী জজ ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের শূন্য ৩৩১টি পদে নিয়োগ প্রদান।

শিক্ষা

 প্রাথমিক শিক্ষাকে সার্বজনীন, বাধ্যতামূলক, গুণগত মানসম্পন্ন করা এবং এর সম্প্রসারণে প্রাথমিক
শিক্ষার ব্যাপক মান উন্নয়ন। শতভাগ শিশুর স্কুলে ভর্তি নিশ্চিত। ঝরে পড়ার হার হ্রাস। এমডিজি-২  অর্জন।
 প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরে ভর্তির ক্ষেত্রে লিঙ্গসমতা অর্জন।
 ৪০ বছর পর আবার দেশের ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং এসব
বিদ্যালয়ে কর্মরত ১ লক্ষ ৩ হাজার ৮৪৫ জন শিক্ষকের চাকুরী জাতীয়করণ।
 মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত দেশের শতভাগ শিক্ষার্থীর মধ্যে বছরের প্রথম দিন বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক
বিতরণ। এ পর্যন্ত প্রায় ৯২ কোটি বই বিতরণ।
 শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশব্যাপী অভিন্ন প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী
পরীক্ষা, অষ্টম শ্রেণীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা পদ্ধতি প্রবর্তন।
 দেশের দরিদ্র পরিবারের শতভাগ শিশু শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তির আওতায় আনয়ন। প্রতি বছর প্রায় ১
কোটি ১৯ লক্ষ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান।
 ৯০টি উপজেলায় ৭ হাজার ৫৬১টি আনন্দ স্কুল প্রতিষ্ঠা। স্কুল ফিডিং কর্মসূচী চালু।
 ৩ হাজার ৪৪৭টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পুনঃনির্মাণ ও সংস্কার। ২১৩টি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক
বিদ্যালয় পুনঃনির্মাণ ও ১ হাজার ২৯২টি বিদ্যালয় সম্প্রসারণ। ৯ হাজার ৫৭৬টি বিদ্যালয়ে
আসবাবপত্র সরবরাহ। ৭২ হাজার ৫৫৫টি অতিরিক্ত শ্রেণীকক্ষ নির্মাণ।
 ৫৩টি পিটিআই সম্প্রসারণ। ১২টি পিটিআই নির্মাণাধীন।
 ৮৩টি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ডাবল শিফট চালু। ২ হাজার শিক্ষকের পদ সৃষ্টি।
 প্রায় ২১ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুম প্রতিষ্ঠা। ৫০৩টি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে
ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া ও ইন্টারনেট মডেম সরবরাহ।
 প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ৮২ হাজার ৭২৫ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ। রেজিস্টার্ড প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে ৪২ হাজার ৬১১
জন শিক্ষকের প্যানেল প্রণয়ন এবং ধাপে ধাপে নিয়োগ প্রদান। ৪৫ হাজার নতুন প্রাথমিক শিক্ষকের
পদ সৃষ্টি।
 মাধ্যমিক পর্যায়ে সহকারী শিক্ষকের পদমর্যাদা ৩য় শ্রেণী থেকে ২য় শ্রেণীর গেজেটেড পদে উন্নীত।
 জাতীয় শিক্ষা নীতি প্রণয়ন।
 উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত মেয়েদের বেতন মওকুফ। স্নাতক পর্যায়ে মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষার ব্যবস্থা।
 এইচএসসি পর্যন্ত সব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ফলাফল ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ।
 মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার জন্য ১০০টি মাদ্রাসায় ভোকেশনাল শিক্ষা কোর্স চালু। ৩১টি
সিনিয়র মাদ্রাসায় ৪টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু। ৩৫টি মাদ্রাসায় বিজ্ঞান ও কম্পিউটার ল্যাব
স্থাপন। ১ হাজার ভবন নির্মাণাধীন।
 কওমী মাদ্রাসার আলেমদের নিয়ে বাংলাদেশ কওমী মাদ্রাসা শিক্ষা কমিশন গঠন।
 ৭টি নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৯টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা। 

 

 

কৃষি

 কৃষিখাতে ব্যাপক সফলতা অর্জন। কৃষি-বান্ধব কার্যক্রমের ফলে দেশ খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ।
 দরিদ্র ও নি¤œ আয়ভোগী জনগণের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
 কৃষককে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদান।
 প্রতি কেজি টিএসপি সারের দাম ৮০ টাকা থেকে ২২ টাকা, এমওপি ৭০ টাকা থেকে ১৫ টাকা এবং
ডিএপি ৯০ টাকা থেকে ২৭ টাকায় হ্রাস। ইউরিয়া সারের দাম ২০ টাকা থেকে ১৬ টাকায় হ্রাস।
 প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা কৃষিঋণ এবং প্রায় ১ কোটি ৪৪ লক্ষ কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড বিতরণ।
 কৃষকদের জন্য মাত্র ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুযোগ সৃষ্টি।
 নতুন গুদাম নির্মাণ। আপদকালীন মজুদ বৃদ্ধি। খাদ্যশস্যের মজুদ ১৫ লক্ষ টনে উন্নীত।
 বাংলাদেশের বিজ্ঞানী কর্তৃক দেশী ও তুষা পাটের জীবন রহস্য উন্মোচন।
 জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাতসহ উচ্চ ফলনশীল ৮টি ধানের জাত উদ্ভাবন।
 বিএডিসি’র বিভিন্ন ফসলের মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন সামর্থ্য ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি।
 ১৩ লক্ষ ৭৬ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ।
 ২ হাজার ৬৫৩ কিলোমিটার খাল খনন, ২ হাজার ৪৭৪টি সেচ অবকাঠামো নির্মাণ।
 প্রায় দেড় লক্ষ হেক্টর জমিতে সেচ সম্প্রসারণ। ৩ হাজার ২০৬ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূরীকরণ।
 আলু উৎপাদন ৬৭ লক্ষ টন থেকে ৮৩ লক্ষ টনে উন্নীত।
 উত্তরাঞ্চলে ১৫টি পাইকারী বাজার এবং ৬০টি গ্রোয়ার্স মার্কেট নির্মাণ।
 কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রসারে পাওয়ার টিলার, ট্রাক্টর, পাওয়ার থ্রেসার, মেইজ সেলার, স্প্রেয়ার, উইডার
ইত্যাদি যন্ত্রপাতি ২৫ শতাংশ হ্রাসকৃত মূল্যে সরবরাহ।
 প্রকৃত জেলেদেরকে পরিচয়পত্র প্রদান। মাছের উৎপাদন ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩২ লক্ষ টনে উন্নীত।
 বার্ষিক দুধ উৎপাদন ২২ লক্ষ টন থেকে ৩৩ লক্ষ টনে উন্নীত।
 বার্ষিক মাংস উৎপাদন ২০ লক্ষ টন থেকে ২৭ লক্ষ টনে উন্নীত।
 ডিমের উৎপাদন ৪৭০ কোটি থেকে ৬০০ কোটিতে উন্নীত।
 দেশে বৃক্ষাচ্ছাদিত এলাকার পরিমাণ ৮ শতাংশ থেকে ১৭ শতাংশে উন্নীত।
 ১ লক্ষ ৩৮ হাজার হেক্টর এলাকা সংরক্ষিত বন ঘোষণা।
 ৫৮ হাজার ৯৩৮ হেক্টর ব্লক বাগান সৃজন। ৯ হাজার ২৯৭ কিলোমিটার স্ট্রীপ বাগান সৃজন।

 

 

সামাজিক নিরাপত্তা


 জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের জনগণের দুর্দশা লাঘবে
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচী চালু করেন। তিনিই প্রথম রেশন, খোলাবাজারে ভোগ্যপণ্য বিক্রি
ও রিলিফ বিতরণ কর্মসূচী শুরু করেন।
 সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী খাতে ব্যয় প্রতিবছর বৃদ্ধি। ২০০৯-১০ অর্থবছরে ১৬ হাজার ৭০৬ কোটি
টাকা থেকে বর্তমান ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা ২২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকায় উন্নীত।
 সামাজিক সুরক্ষামূলক কর্মসূচীর আওতায় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, স্বামী পরিত্যক্তা ও দুঃস্থ ভাতা, 
পঙ্গু, প্রতিবন্ধী ও অসহায়দের জন্য ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি,
ভর্তুকি মূল্যে খোলা বাজারে খাদ্যপণ্য বিক্রি, ভিজিডি, ভিজিএফ, টেস্ট রিলিফ, কাজের বিনিময়ে
খাদ্য কর্মসূচীর আওতায় খাদ্য সহায়তা, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ইত্যাদি কর্মসূচী বাস্তবায়িত।
 বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ২০ লক্ষ থেকে ২৪ লক্ষ ৭৫ হাজারে উন্নীত। বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত
দুঃস্থ মহিলা ভাতাভোগীর সংখ্যা ৯ লক্ষ ২০ হাজারে উন্নীত। অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা
২ লক্ষ থেকে ২ লক্ষ ৮৬ হাজারে উন্নীত।
 দরিদ্র গর্ভবতী মা, কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার এবং কৃষিকাজে নিয়োজিত প্রান্তিক নারী কর্মীদের
জন্য ভাতা প্রদান।
 ৫০ হাজার ভূমিহীন, গৃহহীন ও ছিন্নমূল পরিবারকে পুনর্বাসন এবং সিডর ও আইলায় ক্ষতিগ্রস্ত
এলাকার উন্নয়নের লক্ষ্যে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প গ্রহণ।
 ঢাকায় একটি অটিজম রিসোর্স সেন্টার ও একটি অবৈতনিক অটিস্টিক স্কুল চালু।
 বিসিএস ক্যাডারসহ অন্যান্য সরকারী চাকুরীতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর পদে প্রতিবন্ধীদের জন্য ১
শতাংশ এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর পদে এতিম ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ১০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ।
 একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ৯২৩টি ইউনিয়নের ১০ লক্ষ ৩৮ হাজার
পরিবারকে ১৭ হাজার ৩০০ গ্রাম সংগঠনের মাধ্যমে খামারীতে উন্নীতকরণ।

 

ডিজিটাল বাংলাদেশ


 বিশ্বায়নের সকল সুবিধা গ্রহণের লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জিত। ২০২১ সালের
অনেক আগেই “ডিজিটাল বাংলাদেশ” প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা সৃষ্টি।
 দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে তথ্য ও সেবাকেন্দ্র চালু। এসব তথ্য কেন্দ্র থেকে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী বিভিন্ন
সরকারী ফরম, নোটিশ, পাসপোর্ট ও ভিসা সংক্রান্ত তথ্য, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিভিন্ন সেবা বিষয়ক
তথ্য, চাকুরীর খবর, নাগরিকত্ব সনদপত্র, পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল, বিদেশে চাকুরী প্রাপ্তির লক্ষ্যে
রেজিস্ট্রেশনসহ ২২০টি সেবা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি।
 মোবাইল ব্যাংকিং, জীবন বীমা, মাটি পরীক্ষা ও সারের সুপারিশ, বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ এবং জমির
পর্চাসহ অন্যান্য সেবা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি।
 প্রায় ৪ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন।
 উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলোতে মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা চালু। টেলিমেডিসিন সিস্টেম চালু।
 মোবাইল টেলিফোন সিমের সংখ্যা ১০ কোটিতে উন্নীত।
 ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা সাড়ে তিন কোটিতে উন্নীত।
 ৫৮টি জেলার ১৭৮টি উপজেলা ও ৪২টি গ্রোথ সেন্টারে ডিজিটাল টেলিফোন প্রদান।
 ৩টি পার্বত্য জেলার ২০টি উপজেলায় ডিজিটাল এক্সচেঞ্জ স্থাপন।
 বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা পরিচালনার জন্য বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ, আইসিটি
ফেলোশিপ ও অনুদান প্রদান। 

 

অর্থনীতি

 রূপকল্প ২০২১, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০১০-২১) ও ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক (২০১১-২০১৫) পরিকল্পনা 
অনুযায়ী প্রতি অর্থবছর লক্ষ্যভেদী বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণ।
 বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা, ইউরোপে মারাত্মক অর্থ সংকট, উন্নত বিশ্বের বাজারগুলোতে চাহিদা হ্রাসসহ
নানামুখী নেতিবাচক পরিস্থিতি মোকাবেলা করে বাংলাদেশ গড়ে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন।
 বার্ষিক উন্নয়ন ব্যয় ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা থেকে
২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৬৫ হাজার ৮৭০ কোটি টাকায় উন্নীত। এডিপি বাস্তবায়ন হার ৯৭ শতাংশে উন্নীত।
 রাজস্ব আদায় প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি।
 মাথাপিছু আয় ২০০৮ সালে ৬৩০ ডলার থেকে ১০৪৪ ডলারে উন্নীত।
 ৫ কোটির বেশী মানুষ নিম্নমধ্যবিত্ত থেকে মধ্যবিত্তে উন্নীত। দারিদ্র্যের হার ২০০৫ সালের ৪০ শতাংশ
থেকে ২৬ শতাংশে হ্রাস।
 মূল্যস্ফীতি ২০০৮ এর ১৩ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশে হ্রাস।
 বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ক্রমবৃদ্ধি। ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১৬ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ সৃষ্টি।
 রাজস্ব আদায়ে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি প্রায় ২৬ শতাংশ।
 বাজেট ঘাটতি জিডিপি’র ৫ শতাংশের কম।
 ৮ লক্ষ ৭৮ হাজার ৪০১টি এসএমই উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫১৯ কোটি টাকা ঋণ
বিতরণ। ৩৯ হাজার ২১৩ নারী এসএমই উদ্যোক্তাকে ৫ হাজার ৯৭ কোটি টাকা ঋণ প্রদান।
 ১ হাজার ২১৮টি নতুন ব্যাংক শাখা খোলার অনুমোদন প্রদান। ৩টি নতুন অনিবাসী বাংলাদেশী
ব্যাংক এবং ৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক স্থাপনের অনুমোদন প্রদান। ৩৭টি ব্যাংকে পুরোপুরি ও ৪টি
ব্যাংকে আংশিক অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু।
 বিশ্বমানের অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউস সৃষ্টি।
 ২০১০ সালে দেশের পুঁজিবাজারে সংঘটিত অস্বাভাবিক পরিবর্তনের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে গঠিত
তদন্ত কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নে স্বল্প ও মধ্য মেয়াদী পদক্ষেপ গ্রহণ।
বাণিজ্য

 রপ্তানিতে গড়ে ১৮.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন। ২০১২-১৩ অর্থবছরে ২ হাজার ৭০৩ কোটি ডলার
আয়। ২০০৮ এর রপ্তানি আয় ছিল ১ হাজার ৪৮০ কোটি ডলার।
 দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য বাণিজ্য উদারীকরণ। উদার আমদানি নীতি অনুসরণ।
 দেশব্যাপী টিসিবি’র ডিলার এবং খোলা বাজারে বিক্রয়ের মাধ্যমে ভোক্তা পর্যায়ে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য
সরবরাহ নিশ্চিতকরণ। ডিলারের সংখ্যা ১৪০ জন থেকে ৩ হাজার ৫৩ জনে উন্নীত।
 টিসিবি’র গুদাম ধারণক্ষমতা ১১ হাজার ৭০ টন থেকে ৪৩ হাজার ৬৪৫ টনে উন্নীত।
 ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা।
 রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানীর সকল গ্রাহক সেবা কার্যক্রম অনলাইনে সম্পাদন। 

 

জনশক্তি রপ্তানি


 রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে গড়ে ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন। গত অর্থবছরে ১ হাজার ৪৫০ কোটি
ডলার রেমিটেন্স প্রাপ্তি। ২০০৮ ছিল ৮৯৮ কোটি ডলার। বাংলাদেশ বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রেমিটেন্স অর্জনকারী দেশ।
 বাস্তবসম্মত শ্রম কূটনীতির ফলে জনশক্তি রপ্তানি গন্তব্য দেশের সংখ্যা ১০০ থেকে ১৫৫ এ উন্নীত।
 জি-টু-জি পদ্ধতিতে জনশক্তি রপ্তানি শুরু। ব্যয় হ্রাস। হয়রানি বন্ধ।
 ১৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিদেশগামী নারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান। নারী জনশক্তি রপ্তানি ব্যাপক বৃদ্ধি।
পরিসংখ্যান  দেশের মোট জনসংখ্যা ১৫ কোটি ২৫ লক্ষ ১৮ হাজার ১৫ জন। এর মধ্যে ৭ কোটি ৬৩ লক্ষ ৫০
হাজার ৫১৮ জন পুরুষ এবং ৭ কোটি ৬১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৪৯৭ জন নারী। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১দশমিক ৩৭ শতাংশ।
বিনিয়োগ  সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ ব্যাপক বৃদ্ধি। ২০১২ সালে দেশের ইতিহাসে সর্বাধিক ১ দশমিক ৩০
বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রাপ্তি।
 ৮টি ইপিজেড-এ বিনিয়োগের উন্নত পরিবেশ সৃষ্টি। বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি ব্যাপক বৃদ্ধি।
 দেশের প্রতিটি বিভাগে ন্যূনতম একটি করে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ গ্রহণ। সিরাজগঞ্জ,
মংলা, আনোয়ারা, মীরসরাই ও মৌলভীবাজারে অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন শুরু।

 

শিল্প

 শিল্প স্থাপনকে উৎসাহিত করতে একটি আধুনিক শিল্প নীতি প্রণয়ন।

 ৪০ হাজার ২৬৬টি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প স্থাপন। ৮ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ। ৩ লক্ষ ১৯
হাজার মানুষের কর্মসংস্থান।


স্থানীয় সরকার


 ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও রংপুর সিটি কর্পোরেশন গঠন। ১৬টি নতুন পৌরসভাগঠন।
 দেশে নিরাপদ পানির কভারেজ ৮৮ শতাংশে উন্নীত।
 চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এবং ৫৯টি পৌরসভায় পানি
সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন।
 বাংলাদেশে সার্ক দেশসমূহের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯১ শতাংশ স্যানিটেশন কভারেজ অর্জিত।
 ঢাকা ওয়াসার পানির দৈনিক উৎপাদন ১৮৫ কোটি লিটার থেকে ২২৫ কোটি লিটারে উন্নীত।
 ২০৩ কিঃমিঃ নতুন পানির লাইন, ১৫ কিঃমিঃ পয়ঃলাইন ও ৬৪ কিঃমিঃ ড্রেনেজ লাইন স্থাপন।
 খুলনা ওয়াসা ৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯টি গভীর নলকূপ স্থাপন।
 রাজশাহী ওয়াসার দৈনিক পানি সরবরাহ ২ কোটি ৫৯ লক্ষ লিটার থেকে ৫ কোটি ৫৪ লক্ষ লিটারেউন্নীত।
 যাত্রাবাড়ী থেকে পলাশী পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ “মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার” নির্মাণ কাজসম্পন্ন।

 

 

জনপ্রশাসন

 প্রশাসনকে গতিশীল ও যুগোপযোগী করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে প্রায় ৩ লক্ষ পদ সৃজন। সরকারী 
চাকুরিতে প্রবেশের সময়সীমা ৩২ বছরে উন্নীত।
 জাতীয় বেতন স্কেল ২০০৯ বাস্তবায়ন।
 বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীন রাজস্ব খাতে প্রথম শ্রেণীর পদে ২১ হাজার ৩২ জন, দ্বিতীয়
শ্রেণীর পদে ২৮ হাজার জন, তৃতীয় শ্রেণীর পদে ১ লক্ষ ২৯ হাজার ৬৯৬ জন এবং চতুর্থ শ্রেণীর
পদে ২৪ হাজার ৫৯০ জন সর্বমোট ২ লক্ষ ৩ হাজার ৩১৮ জন জনবল নিয়োগ।
 ২৮তম, ২৯তম, ৩০তম ও ৩১তম বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন ক্যাডার সার্ভিসে ৫ হাজার ৯৭২
জনকে নিয়োগ প্রদান। আরো ৪ হাজার ৮১৭ জন নিয়োগের কার্যক্রম অব্যাহত।
 উপ-সচিব থেকে সচিব পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার কর্মকর্তাকে পদোন্নতি প্রদান।
 গণকর্মচারীদের অবসর গ্রহণের বয়স ৫৭ বছর থেকে বৃদ্ধি করে ৫৯ বছর নির্ধারণ এবং
মুক্তিযোদ্ধাদের অবসর গ্রহণের বয়স ৫৭ বছর থেকে বৃদ্ধি করে ৬০ বছর নির্ধারণ।
 দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা খুলনার পিপলস জুট মিলস এবং সিরাজগঞ্জের কওমী জুট মিলস চালু।
 বিজেএমসি’র ২৭টি পাটকলের মধ্যে ২৩টি চালু। আরো তিনটি চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ।

 

সশস্ত্র বাহিনী

 সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের জন্য ৪৪টি চতুর্থ প্রজন্মের ট্যাংক (এমবিটি-২০০০), ৩টি আর্মার্ড
রিকভেরি ভেহিক্যাল এবং ট্যাংক টি-৫৯ এর জন্য ১২৯টি ওয়ারলেস সেট (ভিআরসি-২০০০এল)
ক্রয়। একটি নতুন রেজিমেন্ট গঠনের সুযোগ সৃষ্টি।
 আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের জন্য ২-ইঞ্জিন বিশিষ্ট ২টি হেলিকপ্টার ও ২টি ফিক্সড উইং বিমান ক্রয়।
 “বিজয়” ও “ধলেশ্বরী” সহ ৪টি করভেট (যুদ্ধ জাহাজ) সংযোজন। জরীপ জাহাজ “অনুসন্ধান” ক্রয়।
 জাহাজ ও বিমান বিধ্বংসী মিজাইল সংযোজন।
 বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নে শর্ট রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (শোরাড) ক্রয়।
 মিগ-২৯ বিমানের ৪৮টি মিজাইল এবং এফ-৭ সিরিজ বিমানের ৮০টি মিজাইল সংযোজন।
 সহ¯্র বাহিনীর ৩৩ হাজার ৫৩৫ জন শান্তিরক্ষী বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে প্রেরণ।
 বেগুনবাড়ি খালসহ হাতিরঝিল এলাকার সমন্বিত উন্নয়ন। রাজধানীর সৌন্দর্যবর্ধন।
 মিরপুর-এয়ারপোর্ট রোড ফ্লাইওভার এবং বনানী রেল ক্রসিং-এ ওভারপাস নির্মাণ।

 

স্বরাষ্ট্র

 ৬২টি থানাকে মডেল থানায় উন্নীতকরণ।
 এসআই ও টিএসআই পদকে ৩য় শ্রেণী হতে ২য় শ্রেণীতে এবং ইন্সপেক্টর পদকে ১ম শ্রেণীতে উন্নীতকরণ।
 জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ৬ হাজার ৭৭৩ জন পুলিশ সদস্য প্রেরণ। বিদেশে সুনাম অর্জন।
 আনসার ও ভিডিপি অধিদপ্তরে নতুন ২ হাজার ২৩৫টি পদ সৃষ্টি।
 কাশিমপুর ও কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার নির্মাণ। ১৫টি জেলা কারাগার নির্মাণ।
 ১৯টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ভবন নির্মাণ। মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট এবং মেশিন রিডেবল
ভিসা প্রবর্তন। এর ফলে বাংলাদেশের নাগরিকদের হয়রানি হ্রাস।
 ২৫৫টি ফায়ার স্টেশন চালু।

 

তথ্য

 ৮ম সংবাদপত্র ওয়েজ বোর্ড গঠন। ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা। সাংবাদিকদের কল্যাণে
প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে অনুদান প্রদান।
 ১টি সরকারী ও ১৪টি বেসরকারীসহ মোট ১৫টি টেলিভিশন চ্যানেল সম্প্রচারের জন্য অনুমোদন।
 দেশে প্রথমবারের মত ১৪টি কমিউনিটি রেডিও’র লাইসেন্স প্রদান।
 তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন। তথ্য কমিশন গঠন এবং সংশ্লিষ্ট বিধি ও প্রবিধিমালা প্রণয়ন।

 

পার্বত্য জেলা

 রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন।
 তিন পার্বত্য জেলায় মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন।

 

ভূমি

 অর্পিত সম্পত্তি অবমুক্তি বিধিমালা ২০১২ প্রণয়ন।
 ভূমি রেকর্ড ও জরীপ ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটাইজডকরণ।
 ১ লক্ষ ২০ হাজার ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে ৫৫ হাজার একর কৃষি খাস জমি প্রদান।
 “গুচ্ছগ্রাম” প্রকল্পের আওতায় ১৬৩টি গুচ্ছগ্রামে ৭ হাজার ১৭২টি ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসন।
চর উন্নয়ন ও বসতি স্থাপন প্রকল্পের মাধ্যমে ১২৮টি টুইন-হাউজ নির্মাণ।

 

বিদ্যুৎ ও গ্যাস


 বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে তাৎক্ষণিক, স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ ও
বাস্তবায়ন। বিদ্যুৎ উৎপাদনে অসাধ্য সাধন। লোডশেডিং এর দুঃসহ যন্ত্রনার অবসান।
 ৪ হাজার ৪৩২ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ৫৭টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ। বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৯
হাজার ৫৯ মেঘাওয়াটে উন্নীত।
 সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৬৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ। ১৯ লক্ষ ৮৯ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ
প্রদান। ৬২ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা প্রাপ্তি।
 ৬ হাজার ৪১৯ মেঘাওয়াট ক্ষমতার আরও ৩২টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণাধীন।
 ৪ হাজার ৪৯ মেঘাওয়াট ক্ষমতার আরও ২০টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন।
 প্রায় ১০ হাজার কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন এবং ৩ লক্ষ কিলোমিটার বিতরণ লাইন নির্মাণ।
 পল্লী বিদ্যুতায়নের আওতায় ২৬ হাজার ৫০২ কিলোমিটার বিতরণ লাইন নির্মাণ।
 পাবনার রূপপুরে ১ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২টি ইউনিট পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে
রাশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর।
 ২০ লক্ষ সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন। এর আওতায় ৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন।
 ২৫টি গ্যাস-ক্ষেত্র আবিষ্কৃত। দৈনিক গ্যাস উৎপাদন ১ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে ২ হাজার
৩০৩ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত।


যোগাযোগ

 ১৩টি বৃহৎ সেতু নির্মাণ। সড়ক ও জনপদ বিভাগ ৩০ দশমিক ৫ কিঃমিঃ নতুন সড়ক ও ৪ হাজার  ৪৬ মিটার কংক্রিট সেতু নির্মাণ।
 ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ৪-লেনে উন্নীত। কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়ক ও ফেনী-পরশুরাম-বিলোনিয়া
সড়ককে আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীতকরণ।
 মোটরযানের রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ নাম্বারপ্লেট, রেডিও ফ্রিক্যুয়েন্সি আইডেনটিফিকেশন ট্যাগ, ডিজিটাল
রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট প্রবর্তন। রাজস্ব ফাঁকি, গাড়ী চুরি ও বিভিন্ন অপরাধ রোধ।
 ইলেকট্রনিক চিপযুক্ত স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স চালু। ২৫ হাজার গাড়ীচালককে প্রশিক্ষণ প্রদান।
 আখাউড়া শহর বাইপাস সড়ক নির্মাণ। ৩ দশমিক ১ কিলোমিটার কুড়িল ফ্লাইওভার নির্মাণ।
 জয়দেবপুর-দেবগ্রাম-ভুলতা-মদনপুর হয়ে ঢাকা বাইপাস সড়ক নির্মাণ।
 পদ্মা সেতুর উভয় প্রান্তে সার্ভিস এরিয়া ও মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডের মাটি ভরাট সম্পন্ন। এপ্রোস
সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ।
 ৩৫ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণ। ১৮০ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাসন।
 ঢাকা-রংপুর লাইনে রংপুর এক্সপ্রেস, ঢাকা-চট্টগ্রাম লাইনে চট্টলা এক্সপ্রেসসহ ৪৫টি (২২ জোড়া)
নতুন ট্রেন চালু। ১০টি রুটে ট্রেন সার্ভিস সম্প্রসারণ। বিভিন্ন রুটে ২০ জোড়া ট্রেন সার্ভিস
সম্প্রসারণ। ১০১ কিলোমিটার রেলপথ মিটার গেজ থেকে ডুয়েল গেজে রূপান্তর। বিভিন্ন রুটে
ডেমো ট্রেন চালু।
 বালু নদী, মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ নৌপথে কুমার নদী, মধুমতি নদী ও লোয়ারকুমার এবং গোমতী
নদী খননের মাধ্যমে ৮৩ কিলোমিটার নৌপথ চালুকরণ।
 ১টি রো রো ফেরী, ১টি রো রো পন্টুন ও ২টি ইউটিলিটি পন্টুন নির্মাণ এবং ৩টি রো রো ফেরী, ২টি
কে টাইপ ফেরী ও ৫টি পন্টুন পুনর্বাসন।
 কূয়াকাটায় একটি মোটেল নির্মাণ। ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধ মন্দিরের উন্নয়ন।

 

 

স্বাস্থ্য সেবা

 গতিশীল ও যুগোপযোগী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন।
 শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হাজার জীবিত জন্মে ৩৬ জনে হ্রাস। ২০০৭ এ ছিল ৬৫ জন। এমডিজি-৪
অর্জন। জাতিসংঘ এমডিজি পুরস্কার লাভ। মাতৃমৃত্যু হার হ্রাস।
 প্রায় ১৫ হাজার ৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মাণ। এসব ক্লিনিক থেকে ১২
কোটি গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সেবা গ্রহণ। ৪০৮ কোটি টাকার ঔষধ বিতরণ।
 ১৩ হাজার ৫০০ জন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার নিয়োগ।
 ৪২১টি উপজেলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ। ৩০১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ শয্যা
থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত। ৩টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত।
 ঢাকার কুর্মিটোলায় ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট ১টি জেনারেল হাসপাতাল, খিলগাঁও এ ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট ১টি
জেনারেল হাসপাতাল, শ্যামলীতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ১টি টিবি হাসপাতাল, ফুলবাড়িয়ায় ১৫০
শয্যাবিশিষ্ট ১টি সরকারী কর্মচারী হাসপাতাল এবং আগারগাঁও এ ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট ন্যাশনাল
ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্স নির্মাণ।
 ৫ হাজার ৭২৮ জন চিকিৎসক ও ১ হাজার ৭৪৭ জন সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ। সিনিয়র স্টাফ 

নার্সদের পদমর্যাদা ৩য় শ্রেণী থেকে ২য় শ্রেণীতে উন্নীত।
 স্বাস্থ্য সহকারীসহ বিভিন্ন পদে ১৭ হাজার কর্মচারী নিয়োগ।
 ৭টি নার্সিং ইনস্টিটিউটকে কলেজে উন্নীতকরণ।
 সরকারী খাতে ৫টি মেডিক্যাল কলেজ, ৬টি ডেন্টাল কলেজ ও ইউনিট, ৫টি ইনস্টিটিউট অব হেলথ
টেকনোলজী, ১টি মেডিক্যাল এসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল, ৭টি নার্সিং কলেজ ও ১২টি নার্সিং ট্রেনিং
ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা।
 দেশীয় চাহিদার প্রায় ৯৭ শতাংশ ঔষধ বর্তমানে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত। ১৮৭ ব্রান্ডের বিভিন্ন প্রকার
ঔষধ ও কাঁচামাল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ৮৭টি দেশে রপ্তানি।

 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা


 দেশের সকল উপজেলায় দৈনিক আবহাওয়া বার্তা প্রচার। ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ।
 বন্যাপ্রবণ ও নদী ভাঙ্গন এলাকায় ৭৪টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ। দুর্গত পরিবারের আশ্রয়দানে
৭২৪টি ব্যারাক হাউজ নির্মাণ।
নগর উন্নয়ন  ঢাকা মহানগরীর ১ হাজার ৫২৮ বর্গকিলোমিটার এলাকার ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান প্রণয়ন।
 চট্টগ্রাম মহানগরীর ১ হাজার ১৫২ বর্গকিঃমিঃ এলাকার স্ট্রাকচার প্ল্যান ও ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান প্রণয়ন।
 খুলনা মহানগরীকে মংলা পর্যন্ত সম্প্রসারণে ৩৭১ বর্গকিঃমিঃ এলাকার ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান প্রণয়ন।
 সিলেট বিভাগীয় শহর ৮৫ বর্গকিলোমিটার স্ট্রাকচার প্ল্যান প্রণয়ন।
 বরিশাল বিভাগীয় শহর ৭৬ বর্গকিলোমিটার স্ট্রাকচার প্ল্যান প্রণয়ন।

 

শ্রম উন্নয়ন

 শ্রমজীবী মানুষের অভিজ্ঞতা ও কর্মক্ষমতাকে কাজে লাগানোর জন্য শ্রম আইন সংশোধন করে
শ্রমিকদের অবসর গ্রহণের বয়স ৫৭ থেকে ৬০ বছরে উন্নীত।
 শ্রম আইন ও শ্রমনীতি প্রণয়ন। শিশুশ্রম নিরসনে জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি প্রণয়ন।
 তৈরী পোশাক খাতে শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরী ৮২ শতাংশ বৃদ্ধি। প্রারম্ভিক মজুরী ৩ হাজার টাকা
পুনঃনির্ধারণ। গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরী আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যে উদ্যোগ গ্রহণ।

 

ডাক

 ডাক বিভাগের ২ হাজার ৭৫০টি পোস্ট অফিসে মোবাইল মানি অর্ডার সার্ভিস চালু।
 ৬০০টি ডাকঘরে পোস্টাল ক্যাশ কার্ড সার্ভিস চালু। ৮ হাজার গ্রামীণ ডাকঘর এবং ৫০০ উপজেলা
ডাকঘরকে ই-সেন্টারে রূপান্তর।

 

যুব

 ৮ লক্ষ ৪১ হাজার ৯৮০ জন যুবকে প্রশিক্ষণ প্রদান। ২ লক্ষ ৪০ হাজার ২৬৯ জনের
আত্মকর্মসংস্থান। ২৭ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা যুব ঋণ বিতরণ।

 

ক্রীড়া

 ক্রীড়া উন্নয়নে প্্রতিটি জেলা ও উপজেলায় অবকাঠামো নির্মাণ ও সংস্কার।
 দেশের ৬৪টি জেলা ক্রীড়া কার্যালয় এবং ৬টি সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের মাধ্যমে তৃণমূল ও
স্কুল পর্যায়ের শিশু-কিশোর এবং য


Share with :
Facebook Facebook